ওয়ানডেতে এমন জয় মাত্র দ্বিতীয়বার
২৩৬ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। পুরোটাই অবশ্য সিকান্দার রাজার কৃতিত্ব। আট উইকেট পড়ে যাওয়ার পর দেড়শ পেরোনো নিয়ে সন্দেহ জেগেছিল। সেখান থেকে দলকে ২৩৫ রানের সম্মানজনক স্কোরে নিয়ে যান সাতে নামা এই ব্যাটসম্যান। ইতিহাসের ত্রয়োদশ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাতে ব্যাট করতে নেমে শতক হাঁকিয়েছেন এই ডান হাতি।
রাজার লড়াকু সেঞ্চুরিটাকে ধন্যবাদ দেবে নিউজিল্যান্ডও। না হলে এই রেকর্ডটা যে হতো না গাপটিল–লাথামের। নিউজিল্যান্ডের রান তাড়া এগিয়েছে মসৃণ গতিতে। দুই ওপেনার পাল্লা দিয়ে রান তুলেছেন। তাঁদের ব্যাটের সামনে মাথা কুটে মরেছেন জিম্বাবুয়ের বোলাররা। ম্যাচ শেষ করে ফেরার সময় গাপটিলের সংগ্রহ ছিল ১১৬ এবং লাথামের ১১০।
দুই ওপেনারই শতরান করে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ছেন—এ ঘটনা আগে একবার ঘটেছিল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১১ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে শ্রীলঙ্কার দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা ও তিলকরত্নে দিলশানও জোড়া শতক হাকিয়েছিলেন।
রান তাড়া করতে গিয়ে দুই ওপেনারেরই একশ রান ছোঁয়ার ঘটনা ঘটেছে এর আগে মাত্র তিনবার। বাকি দুটি ঘটনাই ঘটিয়েছেন শ্রীলঙ্কার ওপেনাররা। প্রথমবার ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনশোর্ধ রান তাড়া করতে গিয়ে ২৮৬ রানের বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন সনাথ জয়াসুরিয়া এবং উপুল থারাঙ্গা। পরের ঘটনার সঙ্গে বাংলাদেশের নাম জড়িয়ে আছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশের ছুড়ে দেওয়া ২৫০ রান তাড়া করতে গিয়ে শতরানের দেখা পেয়েছিলেন সেই থারাঙ্গা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে।
জয়াসুরিয়া–থারাঙ্গা জুটির পর পরে ব্যাট করে উদ্বোধনী জুটিতে গাপটিল–লাথামের ২৩৬ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
Comments
Post a Comment